ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ৪ ফাল্গুন ১৪২৮, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

করোনায় বিপর্যস্ত পর্যটন খাত



করোনায় বিপর্যস্ত পর্যটন খাত

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশের পর্যটন শিল্প আবারও অনিশ্চয়তায় পড়েছে। সংক্রমণ ঠেকাতে এরই মধ্যে প্রধান সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারসহ দেশের সকল পর্যটক স্পট বন্ধের ঘোষণায় নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

করোনার প্রথম ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠতেই দ্বিতীয় ঢেউয়ের কবলে পড়ল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এ খাতটি।

পর্যটনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ট্যুর অপারেটররা বলছেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।

গত বছর মার্চে দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হ্ওয়ার পর ১৮ মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকে। পাঁচ মাস পর নভেম্বরে সব খুলে দেয়ার পর কিছুটা প্রাণ ফিরতে শুরু করে।

ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, করোনা শুরুর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে পাঁচ লাখের বেশি বিদেশি পর্যটক বাংলাদেশে এসেছিল। করোনাকালে পুরো বছর জুড়ে শূন্য হয়ে পড়ে বিদেশি পর্যটক।

গত বছরের নভেম্বরের পর অভ্যন্তরীণ পর্যটনে কিছুটা চাঙ্গা ভাব দেখা দিলেও করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দ্বিতীয় দফায় লকডাউন শুরু হওয়ায় আবার অনিশ্চয়তা তৈরি হলো এ খাতে।

বাংলাদেশে পর্যটনকে একটি উদীয়মান শিল্প ধরে নেয়া হয়। কয়েক বছর ধরে এ শিল্প হাঁটি হাঁটি, পা পা করে এগোচ্ছে। করোনা ভাইরাসের আকস্মিক প্রাদুর্ভাবে খাতটি প্রায় ধ্বংসের পথে। এ শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ খাতটি পুরোপুরি পুনরুদ্ধারে কমপক্ষে তিন বছর সময় লাগবে।

প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল অ্যাসোসিয়শনের (পাটা) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের গত বছর করা সমীক্ষা অনুযায়ী, করোনার কারণে গত বছর টোয়াবের হিসাবে এ ক্ষতির পরিমাণ আরও কম। প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।

দেশের অর্থনীতিতে পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বছরে কমপক্ষে ১০ লাখ অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যটক পাওয়া গেলে ১ কোটি লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এর সুফল ভোগ করার সুযোগ রয়েছে।


   আরও সংবাদ