ঐতিহাসিক স্থানপ্রাকৃতিক সৌন্দর্যবিশেষ প্রতিবেদন

পর্যটনই হতে পারে জাতীয় আয়ের বিশাল খাত

লায়ন সালাম মাহমুদ

বাংলাদেশের অর্থনীতির বিশাল সম্ভাবনাময় খাত উঠে আসতে পারে পর্যটন শিল্প। অর্থনীতির প্রধান খাত হিসেবে গড়ে ওঠার সকল সম্ভাবনাই এ শিল্পের রয়েছে। পর্যটন অর্থনীতির জন্যে যে ধরনের বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক নৈসর্গ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, আদিবাসীদের বর্ণিল সংস্কৃতি দরকার এর সবকিছুই বাংলাদেশে রয়েছে। প্রকৃতি তার অপার মহিমা দিয়ে বাংলাদেশকে সাজালেও আমরা রাজনৈতিক সদিচ্ছা, দেশপ্রেম, শিল্পবোধের অভাবে তা কাজে লাগাতে পারছি না। বাংলাদেশের মানুষও নিজের দেশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারছে না। বিদেশীরাতো এমনিই আসছে না। বাংলাদেশের চেয়েও যাদের প্রাকৃতিক নৈসর্গ কম তারা দেশের পুরো অর্থনীতি চালাচ্ছে পর্যটনের আয় দিয়ে। বিশ্ববাসীর কাছে যেখানে বাংলাদেশ হতে পারতো প্রধান পর্যটন কেন্দ্র সেখানে এখনও কোন অবস্থানই তৈরি হয়নি। গ্রামবাংলার কৃষিজীবন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের সৌন্দর্য, আদিবাসীদের বর্ণিল সংস্কৃতি, পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট, একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, রাঙ্গামাটি, বান্দরবানের প্রাকৃতিক দৃশ্য, রাম-সীতা পাহাড়, বুদ্ধদের কেয়াং মন্দির, সীতাকুণ্ড হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান, মহেশখালী আদিনাথ মন্দির, উপজাতিদের বৈচিত্র্যময় জীবন-যাপন, সিলেটের চা বাগান, মাধবকুণ্ড, জাফলং, হযরত শাহজালাল র. মাজার, শিল্পীর রঙতুলি দিয়ে সাজানো ছবির মতো দেশটির পর্যটন শিল্পের বৈচিত্র্যময় বিষয়গুলো আমরা তুলে ধরতে পারছি না। যার কারণে পর্যটন শিল্প থেকে দেশ তেমন কিছু আয় করতে পারছে না। এখন সময় এসেছে সারা বিশ্বের পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশের অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যগুলো তুলে ধরার। নিউ সেভেন ওয়ান্ডার্সে বাংলাদেশের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার এবং ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনের নাম আসায় মানুষ দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে নতুনভাবে দেখার আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে এসেছে। বিশ্বজুড়ে আলোচিত হচ্ছে বাংলাদেশে রয়েছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। বিশ্বের এই ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার জন্যে বিদেশীরা আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে। দেশের মানুষও সাগর দেখতে যাচ্ছে। নতুন করে আবিষ্কার করছে বাংলাদেশের অপার সৌন্দর্যকে। সরকার এগিয়ে আসুক বা না আসুক মানুষ বসে নেই। দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত দেখার জন্যে মানুষ উৎসবমুখর হয়ে আছে। কক্সবাজার এবং কুয়াকাটা এখন যে কোন জাতীয় উৎসব আয়োজন এবং উপভোগের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। দুই ঈদের ছুটিতে হোটেলগুলোতে কোন সিট খালি পাওয়া যায় না। উৎসুক মানুষ বাধ্য হয়ে দিনে ঘুরে রাতে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে। সরকারি ছুটির দিনগুলোতে দেশী পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় থাকে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পরিবার-পরিজন নিয়ে যান্ত্রিক নগর জীবনের কোলাহল থেকে বেরিয়ে কক্সবাজার-কুয়াকাটা ছুটে যাচ্ছে মানুষ। দুই-তিন বছর আগে শুধু সিজনে বিশেষ করে সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত কক্সবাজারে পর্যটকদের আনা-গোনা বেশি ছিল। এপ্রিল থেকে আগস্ট মাস পর্যটকদের আসা-যাওয়া অনেক কম ছিল। গত দু’বছর ধরে এপ্রিল থেকে আগস্ট মাসেও পর্যটকরা ব্যাপকভাবে ঘুরতে যাচ্ছে। কক্সবাজারে পর্যটকদের জন্যে সিজন আর অফ জিন নেই। সারা বছরই মানুষ ঘুরতে যাচ্ছে। দীর্ঘ এই সমুদ্র সৈকত এখন ১৫ কোটি মানুষের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। সেভেন ওয়ান্ডার্সে নাম আসার পর বিদেশী পর্যটকদের কাছেও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে কক্সবাজার। পর্যটন নগরী কক্সবাজার ও কুয়াকাটা ঘিরে দেশে-বিদেশে যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে তা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে পর্যটন নগরী কক্সবাজার ও কুয়াকাটায় আয় দিয়েই জিডিপিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্যে কক্সবাজার ও কুয়াকাটাকে দেশী-বিদেশী এ পর্যটকদের কাছে উপভোগ্য, আনন্দ-বিনোদনের উপযোগী করে সাজাতে হবে। পর্যটন নগরী কক্সবাজার ও কুয়াকাটকে ঘিরে বিশাল অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে। সেন্টমার্টিন দ্বীপ, সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর এবং ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত আর সবুজ পাহাড় ঘেরা অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত পর্যটন নগরী কক্সবাজার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে। কক্সবাজার পর্যটন নগরীকে কেন্দ্র করে রাঙ্গামাটি, বান্দরবানের পাহাড়-প্রকৃতি, উপজাতিদের বর্ণিল সংস্কৃতি আরেক নতুন সম্ভাবনার দিক। ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন, প্রাকৃতিক রূপ-রহস্যে ঘেরা সিলেট দেশের পর্যটন অর্থনীতিকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিতে হবে। তবে সময়ের প্রয়োজনে অর্থনীতির স্বার্থে যারা প্রকৃতির এ বিশাল ঐশ্বর্যকে কাজে লাগাতে পারবে তারাই এগিয়ে যেতে পারবেন।
বিশ্ব অর্থনীতিতে পর্যটন শিল্প
পর্যটনকে বলা হয় একটি বহুমাত্রিক শিল্প। কারণ এ শিল্পের উপর ভিত্তি করে অন্যান্য শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালিত হয়। শিল্পের আন্তঃসংযোগের কারণে পর্যটন শিল্পের বিকাশ হলে অন্য শিল্পেরও বিকাশ হয়। যার কারণে পর্যটনকে ধরা হয় শিল্পোন্নয়নের সংযোগ শিল্প হিসেবে। পৃথিবীর অনেক দেশ যাদের অন্য কোন আয় নেই শুধু পর্যটনের আয় দিয়েই দেশ চালাচ্ছে। মেক্সিকোর অর্থনীতির ৬০ ভাগই পর্যটন শিল্পের উপর নির্ভরশীল। দক্ষিণ এশিয়ার মালদ্বীপের রাজস্ব আয়ের ৮০ ভাগ আসছে পর্যটন শিল্প থেকে। পর্যটন শিল্পের কারণে অন্যান্য শিল্পের বিকাশ হয়েছে থাইল্যান্ডে। পর্যটনের আয় ছাড়া কোন দেশ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে পারে না। যারা পর্যটন অর্থনীতিতে শক্তিশালী তারাই প্রাচুর্য ও সমৃদ্ধির দেশ হিসেবেই পরিচিত। শুধু তাই নয়, বিশ্বের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে পর্যটন শিল্প। বিশ্ব মানুষের মিলনমেলা হচ্ছে পর্যটন। পর্যটন হচ্ছে এখন বিশাল অর্থনৈতিক শক্তি। পর্যটকরা খরচ করলেই এ শিল্পের আয় বৃদ্ধি পায়।
পর্যটন শিল্পে সাগরকনা কুয়াকাটার সম্ভাবনা
সাগরকন্যা খ্যাত পর্যটন নগরী কুয়াকাটা। গরিবের ঘরে অপরূপ সুন্দরী কন্যা হিসেবে জন্ম নিয়েছে প্রাকৃতিক কন্যা কুয়াকাটা। প্রকৃতির যে এতো রূপরহস্য তা কুয়াকাটাকে না দেখলে বোঝা যাবে না।
প্রকৃতির এক অপরূপ সৃষ্টিকলার নাম হচ্ছে সুন্দরী কুয়াকাটা- যার মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে সাগরের লোনা জলে গড়ে ওঠা বিশ্বের একমাত্র ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন। সকল সুন্দরের উপমা দক্ষিণ বাংলার উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে রয়েছে। সাগর প্রকৃতির এক বিশাল রূপকথার গল্প হচ্ছে পর্যটন নগরী কুয়াকাটা। যেখানে প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থান করা যায়। প্রকৃতির সকল সৃষ্টিকলা যেখান থেকে উপভোগ করা যায়। প্রকৃতির এক বিশাল রহস্য সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত কুয়াকাটা গঙ্গামতির লেক থেকে সরাসরি উপভোগ করা যায়। বিশ্বের কোনো সী-বীচে এমন দুটি বিরল দৃশ্য দেখা যায় না। প্রকৃতির সন্তান প্রকৃতিকে উপভোগ করতে চাইলে সাগরকন্যা কুয়াকাটা এবং প্রাকৃতিক বন সুন্দরবনের মধ্যে তা খুঁজে পাবে। প্রকৃতির যে নিখুঁত কারিগরি নৈপুণ্যতা তা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে সমুদ্র সৈকত, দ্বীপগুলোতে দেখা যাবে। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত কিলোমিটার দীর্ঘ এবং দেড় কিলোমিটার প্রশস্ত। পুরো সৈকতে চিক চিক করছে রুপালি বালি, সৈকতের কোথাও কাদা মাটির চিহ্ন পাওয়া যাবে না। সাগরলোনা জলে সুশোভিত বৃক্ষমালার সারি দেখা যাবে সৈকতের তীর ঘেঁষে। কোথাও নারিকেল জিঞ্জি, কোথাও ঝাউবন। রয়েছে কেওড়া, গড়ান, সুন্দরী, গোলপাতা, সবুজ প্রকৃতি সাগরের নীল ঢেউ, চিকচিক রুপালি বালুকা ভূমি, রাখাইনদের বর্ণিল সংস্কৃতি, আদিম তাঁত, বৌদ্ধ মন্দির, গঙ্গামতির চরে লাল কাঁকড়া প্রকৃতির এক অপরূপ সৌন্দর্যবোধ। স্বচক্ষে না দেখলে বোঝা যাবে না। সাগরের সঙ্গে জীবন-জীবিকার তাগিদে সংগ্রাম করা মানুষগুলো নিত্যদিনে কাজকর্ম একজন পর্যটককে করে তুলতে পারে বাস্তববাদী মানুষরূপে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের রাসমেলা, পানি খেলা পর্যটকদের আনন্দ-বিনোদনের আলাদা রসদ যোগাতে পারে। কুয়াকাটাসহ দক্ষিণ বাংলার উপকূলীয় অঞ্চলের রূপরহস্য বলে কিংবা লিখে উপস্থাপন করা যাবে। না। স্বচক্ষে দেখে প্রকৃতির এই রূপরহস্যকে অবগাহন করে চিত্তের প্রশান্তি আনতে হবে। কুয়াকাটা নামকরণের ঐতিহাসিক কুয়াটি দেখা যাবে সীমা বৌদ্ধ মন্দির সংলগ্ন। সাগর তীর থেকে পায়ে হেঁটে কুয়াটির কাছে যাওয়া যায়। গঙ্গামতি লেকের অপরূপ দৃশ্যতো পর্যটকদের মন কেড়ে নেবে। নৌকা চড়ে গঙ্গামতির লেক পেরিয়ে গঙ্গামতির চরে ঝাঁকে ঝাঁকে লাল কাঁকড়ার দ্রুত চলাচল দেখে পর্যটকরা আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে উঠবেন সুন্দরবন দেখার সুযোগ সময়ের অভাবে না হলেও কুয়াকাটা থেকে নিকট দূরত্বে দ্বিতীয় সুন্দরবন হিসেবে পরিচিত ফাতরার বন ঘুরে আসা যাবে। কুয়াকাটা থেকে প্রতিদিন বোটে করে পর্যটকরা ফাতরার বন ভ্রমণে যাচ্ছে। কুয়াকাটা সৈকত থেকে পশ্চিম দিকে ৭ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে লেবুর চর। এখানে রয়েছে ১০০ একর বিশিষ্ট কেওড়া, কড়াই, গেওয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাকৃতিক বন।
কুয়াকাটা থেকে সাইট ট্যুর করা যায় সীত্রুজিংয়ের মাধ্যমে সুন্দরবন, সেন্টমার্টিন, ছেঁড়াদ্বীপ, নিঝুম দ্বীপ, মহেশখালীসহ আরো ছোট ছোট দ্বীপে। প্রকৃতির সঙ্গে মিতালী করা এবং প্রকৃতিকে উপভোগ করার একমাত্র জায়গা হচ্ছে কুয়াকাটা। কুয়াকাটার রূপের অহংকার এবং গর্ব শুধু কুয়াকাটার। এর সঙ্গে আর কারো তুলনা হয় না। প্রকৃতির এই বিশাল ঐশ্বর্য কাজে লাগাতে পারলে পর্যটন নগরী কুয়াকাটা দিয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় মানুষের অর্থনৈতিক পথ-রচনা করা যাবে।  এতো বিশাল প্রাকৃতিক নৈসর্গ ও ঐশ্বর্যের অধিকারী হয়েও কুয়াকাটার সৌন্দর্য পর্যটকরা উপভোগ করতে পারছে না।
কুয়াকাটা শুধুই সমুদ্র নয়, এটি প্রকৃতির এক জীবন্ত চিত্রপট, বিশাল ঝাউবন, লবণাক্ত বালিয়াড়ি, নারিকেল গাছের সারি, শুটকি পল্লীর কর্মমুখর দৃশ্য, রাখাইন পল্লীর সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য, গঙ্গামতির জঙ্গল, তিন নদীর মোহনা, লেবুর চর। সবকিছু মিলিয়ে কুয়াকাটা হয়ে উঠেছে নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পর্যটন   গন্তব্য।
২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বঙ্গোপসাগরের তীরে জেগে ওঠা একটি চর পর্যটন মানচিত্রে নতুন সংযোজন হিসেবে উঠে আসে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত ছিল ‘হাইরের চর’ নামে, তবে বিজয়ের মাসে আবিষ্কৃত হওয়ায় এর নামকরণ করা হয় ‘চর বিজয়’।
হাজার হাজার লাল কাঁকড়ার অবাধ বিচরণ, ফাঁকা নির্জনতা, গর্জনহীন নীল সাগর আর আকাশের মিতালি পরিযায়ী পাখির অভয়াশ্রম, গঙ্গামতির দক্ষিণে জেগে ওঠা এক নীরব স্বর্গ, বর্ষায় কিছুটা ডুবে থাকলেও শীত মৌসুমে চর বিজয় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে এখানে ইতোমধ্যে ঝাউ ও কেওড়াসহ নানা গাছ লাগানো হয়েছে।
চর বিজয়কে ঘিরে স্থানীয় ট্যুর অপারেটররা নতুন ভ্রমণপথ তৈরি করেছেন। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন,“চর বিজয় একটি অপার সম্ভাবনার দ্বীপ। পরিবেশ সংরক্ষণ সাপেক্ষে এটি দেশের অন্যতম প্রধান ইকো-ট্যুরিজম সাইট হতে পারে।” জল তরণী ট্যুরিজম, আন্ধারমানিক ট্যুরিজমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান চর বিজয়ে নৌবিহার, সানরাইজ ট্যুর ও জীববৈচিত্র্য পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করেছে।
প্রকৃতি আমাদের উপহার, কিন্তু এই উপহার ধরে রাখতে হলে প্রয়োজন সচেতনতা। পর্যটকদের যথাসম্ভব প্লাস্টিক বর্জন এড়িয়ে চলা, গাছের ক্ষতি না করা, পাখি বা প্রাণীদের বিরক্ত না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
পর্যটনই হতে পারে জাতীয় আয়ের বিশাল খাত
পর্যটন শিল্পের কারণে বাংলাদেশকে অমিত সম্ভাবনার দেশ বলা হয়। আসলে বাংলাদেশের মতো পর্যটন শিল্পের বিশাল সম্ভাবনা পৃথিবীর কোথাও নেই। এতো রূপ-বৈচিত্র্যের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, হাজার বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্য বর্ণিল সংস্কৃতি পৃথিবীর কোথাও পাওয়া যাবে না। বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতির সম্ভাবনা দেখে অনেক প্রবাসী হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউজ এবং রিসোর্ট অ্যাপার্টমেন্টে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এসেছে। আরো অনেক প্রবাসী বিনিয়োগকারী কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, কুয়াকাটায় বিনিয়োগ করতে উৎসাহী হয়ে আছে। দেশের প্রতিটি পর্যটন এলাকার প্রাইভেট সেক্টর বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত রয়েছে শুধু বিশাল অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কারণে। সরকারি সহায়তা পেলে পর্যটন শিল্প অর্থনৈতিক সম্ভাবনার এই নতুন দ্বার উন্মোচন করতে পারবে। এ বিশ্বাস পর্যটন শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল মানুষের। আমরাও আশাবাদী বিশাল অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ একদিন বদলে যাবে।
লেখক : সাংবাদিক, মহাসচিব, গ্লোবাল এভিয়েশন এন্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন

 

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
news-1701

sabung ayam online

yakinjp

yakinjp

rtp yakinjp

slot thailand

yakinjp

yakinjp

yakin jp

yakinjp id

maujp

maujp

maujp

maujp

sabung ayam online

sabung ayam online

judi bola online

sabung ayam online

judi bola online

slot mahjong ways

slot mahjong

sabung ayam online

judi bola

live casino

sabung ayam online

judi bola

live casino

SGP Pools

slot mahjong

sabung ayam online

slot mahjong

SLOT THAILAND

138000491

138000492

138000493

138000494

138000495

138000496

138000497

138000498

138000499

138000500

138000501

138000502

138000503

138000504

138000505

138000506

138000507

138000508

138000509

138000510

138000511

138000512

138000513

138000514

138000515

138000516

138000517

138000518

138000519

138000520

138000521

138000522

138000523

138000524

138000525

article 138000526

article 138000527

article 138000528

article 138000529

article 138000530

article 138000531

article 138000532

article 138000533

article 138000534

article 138000535

article 138000536

article 138000537

article 138000538

article 138000539

article 138000540

article 138000541

article 138000542

article 138000543

article 138000544

article 138000545

article 138000546

article 138000547

article 138000548

article 138000549

article 138000550

article 138000551

article 138000552

article 138000553

article 138000554

article 138000555

158000396

158000397

158000398

158000399

158000400

158000401

158000402

158000403

158000404

158000405

158000406

158000407

158000408

158000409

158000410

158000411

158000412

158000413

158000414

158000415

article 158000416

article 158000417

article 158000418

article 158000419

article 158000420

article 158000421

article 158000422

article 158000423

article 158000424

article 158000425

article 158000426

article 158000427

article 158000428

article 158000429

article 158000430

article 158000431

article 158000432

article 158000433

article 158000434

article 158000435

208000411

208000412

208000413

208000414

208000415

208000416

208000417

208000418

208000419

208000420

208000421

208000422

208000423

208000424

208000425

208000426

208000427

208000428

208000429

208000430

208000431

208000432

208000433

208000434

208000435

article 208000436

article 208000437

article 208000438

article 208000439

article 208000440

article 208000441

article 208000442

article 208000443

article 208000444

article 208000445

article 208000446

article 208000447

article 208000448

article 208000449

article 208000450

article 208000451

article 208000452

article 208000453

article 208000454

article 208000455

article 208000456

article 208000457

article 208000458

article 208000459

article 208000460

article 208000461

article 208000462

article 208000463

article 208000464

article 208000465

208000436

208000437

208000438

208000439

208000440

208000441

208000442

208000443

208000444

208000445

208000446

208000447

208000448

208000449

208000450

208000451

208000452

208000453

208000454

208000455

228000271

228000272

228000273

228000274

228000275

228000276

228000277

228000278

228000279

228000280

228000281

228000282

228000283

228000284

228000285

article 228000286

article 228000287

article 228000288

article 228000289

article 228000290

article 228000291

article 228000292

article 228000293

article 228000294

article 228000295

article 228000296

article 228000297

article 228000298

article 228000299

article 228000300

article 228000301

article 228000302

article 228000303

article 228000304

article 228000305

article 228000306

article 228000307

article 228000308

article 228000309

article 228000310

article 228000311

article 228000312

article 228000313

article 228000314

article 228000315

238000241

238000242

238000243

238000244

238000245

238000246

238000247

238000248

238000249

238000250

238000251

238000252

238000254

238000255

238000256

238000257

238000258

238000259

238000260

article 238000261

article 238000262

article 238000263

article 238000264

article 238000265

article 238000266

article 238000267

article 238000268

article 238000269

article 238000270

article 238000271

article 238000272

article 238000273

article 238000274

article 238000275

article 238000276

article 238000277

article 238000278

article 238000279

article 238000280

news-1701